নবিজি কে ব্যাঙ্গ করা ফ্রান্স কে যা বললেন moklesur rahman bangali | ঈদে মিলাদুনবী নিয়ে মোল্লাদের জবাব
সতকর্তা :
এই চ্যানেলের কোন অডিও বা ভিডিও কপি করে আপলোড করবেন না ।
ধরা পড়লে কিন্তু কোন নোটিশ ছাড়া স্ট্রাইক দিতে বাধ্য থাকিব ।
নিজে ভিডিও করে আপলোড করুন ।
All rights reserved by Digital Post Office Dangmorka.
This Visual and Audio Element is Copyrighted Content of
আমরা সুন্নি
Any Unauthorized Publishing is Strictly Prohibited.
আমরা সুন্নি
Mobile no. +8801734808614
➤ || PLEASE DON'T FORGET TO || ➤ ✅LIKE ✅COMMENT ✅SHARE ✅SUBSCRIBE
#new_waz
#মোখলেছুর_রহমান_বাঙালী
#moklesur_rahman_Bangali_waz_2020
#Moklesur_Rahman_Bangali
#mokhlesur_rahman_Bangali_waz
#moklesur_rahman_Bangali_Hujur_waz
#মোখলেছুর_রহমান_বাঙালী_ওয়াজ
#mokhlechur_rahman_bangali
#মোখলেছুর_রহমান
Sunni Islam
is the largest denomination of Islam, followed by 87–90% of the world's Muslims, characterized by a greater emphasis upon the traditions of the Islamic prophet Muhammad and his companions. Its name comes from the word Sunnah, referring to the behaviour of Muhammad. The differences between Sunni and Shia Muslims arose from a disagreement over the succession to Muhammad and subsequently acquired broader political significance, as well as theological and juridical dimensions. According to Sunni traditions, Muhammad designated his successor as Abu Bakr by commanding him to lead prayers when he was ill. The Muslim community later corroborated this by electing him as the first caliph. This contrasts with the Shia view, which holds that Muhammad announced his son-in-law and cousin Ali ibn Abi Talib as his successor, most notably at Ghadir KhummPolitical tensions between Sunnis and Shias Sunni
সুন্নি ইসলাম
সুন্নি মুসলিমরা ইসলাম অনুসারীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় সম্প্রদায়। সুন্নিরা আরো পরিচিত আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামা'য়াহ (আরবি: اهل السنة والجماعة "), সংক্ষেপে আহলুস-সুন্নাহ (আরবি: أهل السنة) নামে। সুন্নি শব্দের উৎপত্তি সুন্নাহ (আরবি: سنة) শব্দ থেকে যা দ্বারা ইসলামের নবি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী ও কর্মকে বুঝায়। নবি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবিত অবস্থায় সুন্নি বা শিয়া বা অন্য কোনো নামে কোনো সম্প্রদায় ছিল না। সুন্নিরা ইসলামের সেই অংশের প্রতিনিধিত্ব করে যারা নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাচিত খলিফা আবু বকরকে মেনে নিয়েছিল। তাই প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থায় ( খিলাফত) নির্বাচন বা ‘শুরা’ সুন্নি ইসলামের একটা বড় বৈশিষ্ট্য। অধিকাংশ সুন্নি আইনজ্ঞরা নিজেদের সুন্নি আইনের চারটি ঘরানার (হানাফি, মালিকি, শাফিয়ি, হানবালি) যে কোনো একটির অনুসরণ করেন। এর বাইরেও কয়েকটি সংখ্যালঘু সুন্নি মাযহাব রয়েছে।
হাদিসের প্রতি সুন্নি দৃষ্টিভঙ্গি
যে কুরআন আজ আমরা দেখি সেটা আনুমানিক ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মুহাম্মাদ (সা.)-এর সহচারীদের দ্বারা সংকলিত হয় এবং তা সমগ্র মুসলিমদের দ্বারা স্বীকৃত হয়। তৎকালীন আরবরা দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক কিছুর সম্মুখীন হতো যেগুলো সরাসরি কুরআনে ছিল না। এক্ষেত্রে তারা মুহাম্মাদ (সা.) ও তার সহাচারীদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করতো। মুহাম্মাদ (সা.)-এর এই জীবনাদর্শ (বাণী ও কর্ম)-কে হাদিস বলা হয়। মুসলিম চিন্তাবিদরা এইসকল হাদিসের বর্ণনাকারীদের ধারা অনুসরণ করে ও তাদের বিশ্বস্ততা যাচাই করে হাদিসের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণ করে থাকেন। সুন্নিরা সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম নামে দুটি হাদিসগ্রন্থকে বাকিগুলোর তুলনায় অধিকতর গ্রহণযোগ্য মনে করেন। যদিও ছয়টি হাদিস সংকলন মুসলিমদের কাছে বিশেষ গুরত্ব বহন করে। এগুলো হলো :
• সহিহ বুখারী
• সহিহ মুসলিম
• সুনান আত-তিরমিজি
• সুনানে নাসাই
• সুনানে আবু দাউদ
• সুনানে ইবনে মাজাহ
সুন্নি মাযহাব
ইসলামী আইনকে শরিয়াহ বলা হয়। আর এই শরিয়াহ তৈরি হয় কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াসের ভিত্তিতে। সুন্নিদের যারা এই আইনসমূহের ব্যাখ্যা দেন তাদের মধ্যে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য আছে। পারসিক ইমাম আবু হানিফা (জন্ম ৬৯৯খ্রি. - মৃত্যু ৭৬৭ খ্রি.) হলেন হানাফি মাজহাবের প্রবক্তা। তিনি ইরাকে জন্মগ্রহণ করেন। অন্য মাজহাবগুলোর তুলনায় তার মাজহাবটিতে প্রজ্ঞা ও যুক্তির উপর অনেক বেশি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া; দক্ষিণ রাশিয়া, ককেশাস, বলকান উপদ্বীপের কিছু অংশে, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, ইয়েমেন এবং তুরস্কের অধিকাংশ মুসলিম এই মাজহাব অনুসরণ করেন। মালিক ইবনে আনাস তার তত্ত্বগুলো সুসংগঠিত করেন মদিনাতে যেখানে তার সাথে পরিচয় ঘটেছিলো নবি মুহাম্মদের বেঁচে থাকা এক বৃদ্ধ সাহাবির সঙ্গে। সমগ্র আফ্রিকা (মিশর ব্যতিত) ও পুর্ব উপকূল জুড়ে এই মাজহাবের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল(৭৮০-৮৫৫ খ্রি./ ১৬৪-২৪১ হিজরি) আশ-শাফির শিষ্য ছিলেন।
সুন্নীদের মতে মাজহাব ও ধর্মীয় উপদল একই বিষয় নয়। কারণ মাজহাবগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেয়। একটি বড় মুসলিম জনগোষ্ঠীতে চারটি মাজহাবের অনুসারী চিন্তাবিদই থাকতে পারে। এটা সম্পূর্ণ লোকজনের ব্যাপার যে তারা কোনটা পছন্দ করবে। অনেক সুন্নি মনে করেন যে, একজন মুসলিমের শুধু একটি মাজহাবই অনুসরণ করা উচিত। যদিও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে অন্য মাজহাব থেকেও বিধান নেওয়া যেতে পারে। কিছু সুন্নিরা আবার নির্দিষ্ট কোনো মাজহাব অনুসরণ করেন না। যেমন, আহলে হাদীসরা বিশেষ কোনো মাজহাব মেনে চলতে অস্বীকৃতি জানায়।
Source:- https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%...
https://en.wikipedia.org/wiki/Sunni_I...
Comments
Post a Comment